লেটেস্ট পোস্টগুলো

বই ইবুক

মুভি ডাউনলোড

মিউজিক

রহস্য গল্প

গল্প

মিডিয়া

টেক ট্রিটস

Downloads

mathai nosto mama

A brand New Bangla Website released



A new Bangla Website Released from Bangladesh. Seems like it,s the first Bangla website includes bangla, Fun, Bangla blog, bangla song, bangla news, bangla news paper, radio foorti, abc Radio, fm radio, online radio, news, seo, Amar Desh, bangla radio, bangla, bangladesh news, bangladesh newspaper, bangladesh newspapers, fajlami, moja, bangla moja, bangla blog, bangladesh fun and Lots More fun. Visit Today http://www.fajlami.com

হাসিনা খালেদা ম্যাডামের ফোনালাপ এর সত্য এবং লিখিত রুপ

মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৩
সর্বদলীয় সরকার মানা যায় না, নির্দলীয় সরকারের ঘোষণা দিন, হরতাল প্রত্যাহার করবো
স্টাফ রিপোর্টার: চার বছর আগে কুশল বিনিময়। তারপর ২৬শে অক্টোবর দু’জনের ফোনালাপ। একজন সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাবনা দিলেন। অন্যজন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আলটিমেটাম। অনেকদিন থেকেই রাজনীতিতে চাউর ছিল যে কোনও সময় দু’নেত্রীর কথা হতে পারে। আসে সেই কাঙ্খিত মুহূর্ত। চলমান সঙ্কট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়াকে গণভবনে নৈশভোজের  দাওয়াত করলেন। বিরোধী নেতা দাওয়াত কবুলও করলেন। বিরোধী নেত্রী ২৯শে অক্টোবরের পর যেকোনও দিন গণভবনে যাবেন বললেন। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনের পর বর্তমান সঙ্কট নিরসনে দু’নেত্রীর এই ফোনালাপ নিয়ে রাজনীতিতে বইছে ঝড়ো হাওয়া। ৩৭ মিনিটের ফোনালাপে কি কথা হয়েছিলেন দু’জনের। শুধুই কি কুশল বিনিময়? এ কৌতূহল বাংলাদেশের ষোলকোটি মানুষের। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একাত্তরে প্রচারিত অডিও থেকে ধারনকৃত সেই কথোপকথন বিস্তারিত তুলে ধরা হলো- 
খালেদা- হ্যালো, হ্যালো।
হাসিনা- হ্যালো। কেমন আছেন?
খালেদা- ভালো।
হাসিনা- দুপুর থেকে ফোন করছি।
খালেদা- দুপুরে কোন ফোন আসেনি।
হাসিনা- ফোন করেছি তো।
খালেদা- কথা সত্য নয়। দীর্ঘদিন ধরেই টেলিফোনটি বিকল। দেশ চালান, সব খবর রাখেন, এ খবর রাখেন না। লোক পাঠান।
হাসিনা- আপনি তো জানেন, রেড ফোন বিকল থাকে না।
খালেদা- ফোন বিকল, এটাই সত্য।
হাসিনা- আমি ফোন করেছি।
খালেদা- দীর্ঘদিন ধরে ফোন ডেড। মৃত ফোন কি হঠাৎ জেগে উঠবে?
হাসিনা- যে কোন কারণে ফোন ধরতে পারেন নি।
খালেদা- না ফোন বাজেনি। আমি ফোনের কাছেই থাকি। ফোন বাজলে না ধরার কথা নয়।
হাসিনা- ফোন বেজেছে, ধরেন নি। আমি আগামীকাল দেখব।
খালেদা- ...
হাসিনা- আমি ফোন করলাম। ২৮ তারিখ (২৮শে অক্টোবর) আপনাকে দাওয়াত দিচ্ছি। জানেন তো, আমরা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলছি।
খালেদা- দাওয়াত কেন দিচ্ছেন?
হাসিনা- আমার সঙ্গে রাতের খাবার খাবেন।
খালেদা- ২৮ তারিখ আমি যেতে পারব না। ওই দিন হরতাল আছে। হরতাল থাকলে আমি বের হই না।
হাসিনা- আপনি বলেছেন, দুইদিনের মধ্যে...
খালেদা- বলেছি। আমার আন্তরিকতা আছে। আমি একা যাব না।
হাসিনা- যাকে ইচ্ছা আনেন, যতজন ইচ্ছা আনেন।
খালেদা- যতজন না। আমার দলের প্রয়োজনীয় নেতাদের নেব।
হাসিনা- দেশ জাতির স্বার্থে হরতাল প্রত্যাহার করুন।
খালেদা- হরতাল প্রত্যাহার করতে পারব না।
হাসিনা- মানুষ হত্যা বন্ধ করুন।
খালেদা- মানুষ হত্যা আপনারা করছেন। আপনারা গান পাউডার দিয়ে বাস পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছেন। লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছেন। এসব হত্যার নির্দেশ আপনার মুখ থেকেই বেরিয়েছে। এর দায় আপনাদের।
হাসিনা- জনগনের স্বার্থে হরতাল প্রত্যাহার করুন।
খালেদা- জনগনের স্বার্থে হরতাল দিয়েছি।
হাসিনা- আমরা আলোচনা করতে চাই।
খালেদা- আপনার মন্ত্রীরা তো বলেছেন, আলোচনা হবে না। আলোচনা হতে পারে, হরতালের পর।
হাসিনা- আপনি তো দুইদিনের কথা বলেছিলেন।
খালেদা- আপনি একদিন পর ফোন করেছেন। তখন সুযোগ ছিল না।
হাসিনা- আমি তো ব্যস্ত।
খালেদা- আপনার মতো অত ব্যস্ত না হলেও আমরাও ব্যস্ত।
হাসিনা- ....
খালেদা- কাল আমাদের সমাবেশের এত দেরি করে অনুমতি দিলেন কেন? অনুমতি দিলেন মাইক ব্যবহারের অনুমতি দিলেন না কেন? লোকজন আমাদের বক্তব্য শুনতে পায়নি। অতীতে আপনাদের তো এমন করিনি।
হাসিনা- আমি বলেছি, আলোচনার কথা।
খালেদা- সমাবেশে মাইকের অনুমতি কেন দিলেন না?
হাসিনা- অনুমতি তো দিয়েছি।
খালেদা- আমরা সমাবেশ করতে গেলে আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করেন। দেশে কি ইমার্জেন্সি জারি হয়েছে। দেশে কি যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে।
হাসিনা- এ ব্যাপারে কথা বলতে চাই না।
খালেদা- কথা তো আপনাকে বলতে হবে। মিটিং করতে চাইলে মাইকের অনুমতি দেবেন না। আপনারা আগে মিটিং করেননি। 
হাসিনা- আমাদের গ্রেনেড হামলার কথা মনে আছে।
খালেদা- আমরা নই, আপনারা করিয়েছেন গ্রেনেড হামলা।
হাসিনা- আপনারাও কিন্তু রাত ১১টায় অনুমতি দিয়েছিলেন।
খালেদা- আপনার দলের নেতারা ভেন্যু পরিবর্তন করেছিল।
হাসিনা- আপনি মুক্তাঙ্গনে অনুমতি...
খালেদা- অনুমতি দিয়েছি, রেকর্ড আছে। সে রেকর্ড দেখেন না।
হাসিনা- ....
খালেদা- এখন বলছি, সত্যিকার আন্তরিক হন। তবে ২৯ তারিখের পর বলেন, আমি যাব।
হাসিনা- আমি ঝগড়া করতে চাই না। আপনি একতরফা কথা বলছেন।
খালেদা- কথা আপনিও বলছেন।
হাসিনা- হরতাল প্রত্যাহার করেন। আসেন।
খালেদা- হরতালের পর।
হাসিনা- হরতালের মাধ্যমে মানুষ খুন করছেন। 
খালেদা- আপনারা মানুষ খুন করছেন। আপনার ছাত্রলীগ, যুবলীগ মানুষ খুন করছে।
হাসিনা- খুনের রাজনীতি আমরা করি না।
খালেদা- খুনের  রাজনীতি আপনার পুরনো অভ্যোস। আপনাদের পুরনো অভ্যোস।
১৯৭১ এর পরও ক্ষমতায় থাকাকালে মানুষ খুন করেছেন। সেটা কি ভুলে গেছেন।
হাসিনা- ৭-এ মানুষ খুন করেছি।
খালেদা- ৭এর পর ক্ষমতায় থাকাকালে মানুষ খুন করেছেন।
হাসিনা- যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করছেন।
খালেদা- সত্যিকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করলে আমরা সমর্থন দিতাম। কিন্তু আপনি তা করছেন না। আপনার দলেও অনেক যুদ্ধাপরাধী আছে।
হাসিনা- সত্যিকার বিচার হচ্ছে।
খালেদা- আপনি তো প্রধানমন্ত্রী নন। আপনি তো দলীয় প্রধানমন্ত্রী। আমার সঙ্গে যে আচরণ করেছেন। আমার দলীয় কার্যালয়ে যে আচরণ করেছেন।
হাসিনা- আপনি জবাব দিতে পারেন। অসাংবিধানিক সরকার...
খালেদা- আপনারাই অসাংবিধানিক সরকারকে স্বাগত জানান। আপনিই এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর বলেছিলেন, আই এ্যাম নট আনহ্যাপি।
হাসিনা- বলিনি।
খালেদা- আপনি মঈন উদ্দিন-ফখরুদ্দিনকে আপনাদের আন্দোলনের ফসল বলেছেন।
হাসিনা- না।
খালেদা- আপনি তাদের শপথ অনুষ্ঠানে গিয়ে বলেছেন, আপনাদের আন্দোলনের ফসল। মানুষ সে কথা ভুলেনি।
হাসিনা- আপনি ৯জনকে ডিঙিয়ে মঈন উদ্দিনকে প্রধান বানিয়েছিলেন।
খালেদা- আপনি অনেককে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন। এ কথা বইলেন না। অনেককে বাড়ি পাঠিয়েছেন। মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন সাংবিধানিক সরকার ছিল না। কিন্তু আপনি তাদের শপথ অনুষ্ঠানে গেলেন। সেদিন তো আমরা দুই দলই ক্ষমতার বাইরে ছিলাম। আমি যাইনি, আপনি শপথ অনুষ্ঠানে গেছেন।
হাসিনা- আমি আগুনে বসে হাসি পুষ্পের হাসি। আমার বাবা ভাই মারা গিয়েছিল।
খালেদা- আপনি অতীতের দিকে নয়, সামনের দিকে আগান। সৎ উদ্দেশ্য থাকলে সামনে আগান।
হাসিনা- আপনারা ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে হত্যাকাণ্ড করেছেন।
খালেদা- হত্যা আমরা করিনি। আপনি যতদিন থাকবেন, ততই আমাদের লাভ। আপনি যতই অশ্লীল কথা বলবেন ততই আমাদের লাভ।
হাসিনা- ১৫ই আগস্ট আপনি কেন কেক কাটেন?
খালেদা- ওইদিন কি কোন মানুষ জন্ম নেবে না। আপনারা জিয়াউর রহমানের কথা বলেন। জিয়াউর রহমান তো আপনাদের আওয়ামী লীগকে জন্ম দিয়েছেন। আপনারা তো বাকশাল ছিলেন।
হাসিনা- ...
খালেদা- এ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসেন। আসুন নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করি।
হাসিনা- আপনি হরতাল প্রত্যাহার করবেন না?
খালেদা- হরতাল প্রত্যাহার করতে পারবো না। এটা ১৮ দলের সিদ্ধান্তে ঘোষণা করা হয়েছে।
হাসিনা- আপনি ১৮ দলকে ডেকে সিদ্ধান্ত নিন।
খালেদা- তাদের তো পুলিশ তাড়াচ্ছে।
হাসিনা- পুলিশ ধরবে না। বলে দেন।
খালেদা- পুলিশ কি আমাদের কথায় চলে?
হাসিনা- বোমা বাস্ট হবে...
খালেদা- বোমা বাস্ট আপনারা করেন। আপনি ২৯ তারিখের পর বলেন, আমরা আসবো।
হাসিনা- আপনি দুই দিনের আলটিমেটাম দিলেন। এর মধ্যেই তো ফোন করলাম।
খালেদা- বলেছি তো, আপনি দেরি করেছেন। আমরা বলেছি, সংলাপ ও আন্দোলন একসঙ্গে চলবে।
হাসিনা- আপনারা কি ক্যামরায় ...
খালেদা- আমাদের এখানে ক্যামেরা নেই। আমরা ক্যামেরা ছাড়া কথা বলছি। অফিসে থাকলেই বরং ক্যামেরা থাকতো। আপনারা সম্ভবত ক্যামেরাই দেখাচ্ছেন...।
হাসিনা- ফোন করেছি। ফোন তো ঠিক আছে।
খালেদা- লোক পাঠান।
হাসিনা- ১০-১২ বার ফোন করেছি।
খালেদা- আমরা শুনিনি, আপনি কেবল শুনেছেন।
হাসিনা- আমি কিভাবে শুনবো। আমার তো এক কান নষ্ট। ফোন আমি নিজেই করেছি।
খালেদা- ডেড ফোনে কথা বলেছেন।
হাসিনা- রিং হচ্ছিলো।
খালেদা- ঠিক নয়। আমরা অনেকবার লোক ডেকেছি। আপনার লোকজন আমাদের তো মানুষই মনে করে না।
হাসিনা- ফোন দিয়েছি।
খালেদা- আপনি চাইলে মোবাইলে কথা বলতে পারতেন। মৃত কে তো মৃত বলতেই হবে।
হাসিনা- (...নাম্বার বলে যান)
খালেদা- আপনার মুখস্ত থাকতেই পারে।
হাসিনা- কাল খবর নেব।
খালেদা- গুলশান এক্সচেঞ্জের লোক মিথ্যা বলেছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। সে সত্য কথা বলেনি।
হাসিনা- আলাদা এক্সচেঞ্জ।
খালেদা- টেলিভিশনে স্ক্রল দেখাচ্ছে...
হাসিনা- গণভবনে আমরা কথা বলছি, এখানে কোন টেলিভিশন নেই।
খালেদা- তাহলে কেন এটা বলা হচ্ছে...
হাসিনা- তাহলে কি কথা বলবেন না।
খালেদা- আমি আধাঘন্টা ধরেই বসে আছি। আপনার ফোন আসবে এ জন্য। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। কথা বলেছি। এখন কেন কথা বলবো না।
হাসিনা- ২৮ তারিখে আসেন।
খালেদা- সত্যিই আন্তরিক হলে ২৯ তারিখের পর বলেন।
হাসিনা- কাল বলেছেন...
খালেদা- আমরা তো হরতাল দিয়েছি।
হাসিনা- আমি তো ফোন করেছি।
খালেদা- আগে কেন করেননি। পরে করছেন কেন?
হাসিনা- আমি দুঃখিত।
খালেদা- বাংলাদেশের মানুষ...
হাসিনা- আপনি দুইদিনের কথা বলেছেন...
খালেদা- বলেছি, কিন্তু হরতালও দিয়েছি।
হাসিনা- কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।
খালেদা- ১৮দলকে এখন কই পাবো।
হাসিনা- হুকুম করেন, পাবেন।
খালেদা- কই পাব? তারা তো ...
হাসিনা- মিথ্যা বলছেন।
খালেদা- আপনি কাল রাতে ফোন করতে পারতেন।
হাসিনা- আমি রাত জাগি না। আমি সকালে নামাজ পড়ি।
খালেদা- নামাজ পড়েন। কোরআন পড়েন। নামাজিদের গুলি করেন হত্যা সবই করেন।
হাসিনা- আমি নামাজ পড়ি, নিয়মিত কোরআন পড়ি।
খালেদা- আপনি ২৯ তারিখের পর করেন।
হাসিনা- আপনি আপনার বক্তব্য থেকে সরে যাচ্ছেন।
খালেদা- আমার দলের নেতারা এখন নেই। ১৮দল নেই। আমি একা কিভাবে সিদ্ধান্ত নেব।
হাসিনা- হুকুম দেন। এটা হয় নাকি।
খালেদা- আপনার ডিবি-এসবি তো আমাদের ঘেরাও করে রেখেছে, কিভাবে আসবে।
হাসিনা- আপনারা তো দা-কুড়াল নিয়ে মানুষ হত্যার কথা বলছেন।
খালেদা- বিশ্বজিৎকে আপনারা হত্যা করেছেন।
হাসিনা- তারা আগেই ছাত্রলীগ থেকে বহিস্কৃত ছিল।
খালেদা- আমরা এ রকম আরো উদাহারণ দিতে পারব। আপনারা আমাদের বক্তব্য টেলিভিশনে প্রচার করতে দেননি। নিরিহ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছেন। আল্লাহ আপনাদের বিচার করবে।
হাসিনা- ধরা পড়ার পর দেখা গেছে। তাাদের বাবা-মা জামায়াত-বিএনপি করে।
খালেদা- না তারা ছাত্রলীগই করে। আমি আপনাকে অনুরোধ করি, সদ্বিচ্ছা থাকলে ২৯ তারিখের পর ডাকেন।
হাসিনা- এ কথাটি রাখেন।
খালেদা- ২৯ তারিখের পর ডাকেন। অন্য কর্মসূচিতে যাওয়ার আগে। আমরা কর্মসূিচ দেবো না।
হাসিনা- দিনের কথা বলেছিলেন।
খালেদা- ৩০ তারিখ হলে আমি রাজি আছি।
হাসিনা- আপনার তো ভারপ্রাপ্ত আছে। যদিও প্রটোকলে মিলে না। তারপরও আমাদের দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ কথা বলবেন। তাদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে...
খালেদা- কাল রাতে কেন ফোন দিলেন না। তাহলে আমি দলের নেতাদের সঙ্গে মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম। আমি তো ৭টায় অফিসে গিয়েছিলাম। ফোন করলেই পেয়ে যেতেন।
হাসিনা- তখন তো রাত।
খালেদা- ৭টা রাত নয় সন্ধ্যা।
হাসিনা- আমার তো নেতাদের সঙ্গে কথা বলে...
খালেদা- আমারও তো নেতাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে।
হাসিনা- আমাদের কিন্তু ৯৬ কথা মনে আছে।
খালেদা- ১৭৩দিন হরতাল করেননি?
হাসিনা- ৯৬তে আপনারাও করেছেন।
খালেদা- ১৯৯১ সালে আমরা একসঙ্গে আন্দোলন করেছি। একসঙ্গে কাজ করতাম। কিন্তু আপনি প্রথম দিনেই সংসদে বললেন, একদিনও শান্তিতে থাকতে দিবেন না।
হাসিনা- নো।
খালেদা- আপনি একবার তত্ত্বাবধায়কের কথা বলবেন, একবার সংবিধানের কথা বলবেন।
হাসিনা- নির্বাচনের পর যে সিচুয়েশন হয়েছিল।
খালেদা- ৩০ তারিখের পর হলে আমরা রাজি আছি।
হাসিনা- আমার পার্টি স্ট্রং। আমাদের ভোট আছে। আমরা সংগ্রাম করেই এটা অর্জন করেছি।
খালেদা- আমার দলও অনেক সংগ্রাম করে ক্ষমতায় এসেছিল।
হাসিনা- দুঃখিত।
খালেদা- সময় মতো ফোন করেননি। আমি দুঃখিত। কাল ফোন করলে পরিবেশ পরিস্থিতি অন্যরকম হতো।
হাসিনা- আমার এডিসি দেড়টা থেকে চেষ্টা করেছে।
খালেদা- ফোন না বাজলে ধরার উপায় নেই।
হাসিনা- শিমুল বিশ্বাসের ফোনেও অনেক চেষ্টা করেছে।
খালেদা- আপনি বসেছিলেন ৬টার জন্য।
হাসিনা-  আপনি জানেন আমাদের মিটিং ছিল। আমি মিটিংয়ে দেরি করতে পছন্দ করি না।
খালেদা- মিটিং জরুরি না এটা জরুরি ছিল।
হাসিনা- সিদ্ধান্ত নেন।
খালেদা- কিভাবে নেব।
হাসিনা- জাতির কাছে বলেন।
খালেদা- আপনি নির্দলীয় সরকার মেনে নিন। আমি হরতাল প্রত্যাহার করবো।
হাসিনা- আমাদের ৯০ ভাগ সিট ...
খালেদা- আপনি বলেন, নির্দলীয় সরকার মেনে নেবেন, আমি হরতাল তুলে নেবো।
হাসিনা- যারা মাইনাস-টু করতে চেয়েছিল আপনি তাদের আনতে চাইছেন।
খালেদা- আমি না, আপনি। আপনি যে ভাষায় কথা বলেন...
হাসিনা- আপনি তো মধুর ভাষায় কথা বলেন। আমরা সংসদে আছি। একসঙ্গে কাজ করবো... আপনি দলের নেতাদের মিটিং করেন।
খালেদা- পুলিশকে বলে দেন। তত্ত্বাবধায়ক মানেন। সবাইকে ডাকি।
হাসিনা- হরতাল তুলে নেন।
খালেদা- নির্দলীয় সরকার মানার ঘোষণা দেন।
হাসিনা- আপনার দলের লোকের উপর ভরসা নেই?
খালেদা- আমার দলের লোকের উপর ভরসা আছে।
হাসিনা- তাদের ডাকেন।
খালেদা- আপনি দাবি মানেন, হরতাল ...
হাসিনা- আপনি সর্বদলীয় মানেন।
খালেদা- সবর্দলীয় মানা যায় না।
হাসিনা- আবার কাকে আনবেন, মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের মতো।
খালেদা- আপনিই আনেন।
হাসিনা- ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সৃষ্টি করবেন না।
খালেদা- কি বলেন...
হাসিনা- আসেন। হরতাল তুলে নেন।
খালেদা- ২৮ তারিখের আগে পারব না। হবে না।
হাসিনা- ধন্যবাদ... http://www.mzamin.com/mobile/details.php?nid=NzcwMzk%3D&ty=MA%3D%3D&s=MTg%3D&c=MQ%3D%3D
ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

বাংলাদেশের প্রায় সকল প্রয়োজনীয় সাইটে একটি তালিকা কেটাগরি ভিত্তিক । আপনার প্রয়োজন হবে তাই এক বার দেখে নিন।

আজ আপনাদের সাথে যে বিষয় টি নিয়ে এসেছে তা হল আমাদের প্রয়োজনীয় সকল বাংলা ওয়েব  সাইটের লিস্ট । মূলত আমরা সবাই বাংলা ভাল বুঝি তাই আপনাদের জন্য এই পোস্ট । ত দেখে নিই সব বাংলা ওয়েবের তালিকা । আপনি এই লিস্ট টি কপি করে রাখতে পারেন ।




২৪ ঘন্টার অনলাই  নিউজ
http://www.bdnews24.com/

দৈনিক সংবাদপত্র
http://www.prothom-alo.com/
http://www.ittefaq.com/
http://www.dailyjanakantha.com/
http://www.nayadiganta.com/
http://www.shamokal.com/
http://www.dailyinqilab.com/
http://www.amardesh.net/
http://www.thedailystar.net/
http://independent-bangladesh.com

বিয়ে
http://borbodhu.com/

অনলাইন গিফ্ট শপ
http://www.giftdokan.com/

বাংলা ভাষায় কম্পিউটার শিক্ষার ওয়েব সাইট
www.shobkeso.com

অনলাইন বিদ্যালয়
http://www.bdhigherstudy.com/

ইসলাম
http://www.learnholyislam.org/

খেলা
http://www.khelarkhobor.com/

বাংলা কার্টুন
http://www.deshicartoon.7mb.net/

চাকুরী
http://www.bdjobs.com/
http://wwwprothom-alojobs.com/
http://www.shobkeso.com/2013/09/blog-post.html (more site)

শেয়ার মার্কেট
http://www.dsebd.org/
http://www.csebd.com/
রাজনীতী
http://www.albd.org/autoalbd/index.php
http://www.bnpbd.com/
http://www.jatiyaparty.org/

সরকার
http://www.bangladesh.gov.bd/
http://www.dhakacity.org/
http://www.rajukdhaka.org/
http://www.parjatan.org/
http://www.bimanair.com/
http://www.parliament.gov.bd/

রেডিও

http://www.metrowave-bd.com/
http://www.lamon24.com/
বাংলা নাটক ও ছিনেমা

http://www.amarnatok.com/
http://banglamoviedownload.com/

টিভি
http://www.atnbangla.tv/
http://www.btv.com.bd/
http://www.ntvbd.tv/
http://www.channel-i-tv.com/
http://www.banglavision.tv/

কৃষি
http://www.agrobangla.com/
http://www.barc.gov.bd/

গান
http://banglamusic.com/
http://www.murchona.org/home/

বিমান
http://www.unitedairwaysbd.com/
http://www.gmgairlines.com/site/index.php

ব্যাংক

http://www.hsbc.com.bd/
http://www.thecitybank.com/
http://www.ucbl.com/
http://www.uttarabank-bd.com/
http://www.dhakabank.info/
http://www.prime-bank.com/
http://www.dutchbanglabank.com/
http://www.basicbankbd.com/
http://www.bankasia-bd.com/
http://www.easternbank.com/
http://www.pubalibangla.com/
http://www.standardbankbd.com/
http://www.grameen-info.org/
http://www.standardchartered.com/bd/en/
http://www.agranibank.org/
http://www.janatabank-bd.com/
http://www.rupalibank.org/
http://www.abbankonline.com/
http://www.eximbd.com/
http://www.ificbankbd.com/
http://www.nblbd.com/
http://www.islamibankbd.com/home.php

কুরিয়ার
http://www.pioneercourier.net/

হসপিটাল

http://www.centralhospitalltd.com/
http://www.squarehospital.com/
http://www.apollodhaka.com/

হোটেল এবং গেস্ট হাউজ

http://www.hotel.com.bd
http://www.panpacific.com/Dhaka/Overview.html

ইন্সুরেন্স
http://www.green-delta.com/
http://www.meghnalife.com/

বাংলাদেশী মোবাইল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান
http://www.grameenphone.com/
http://www.bd.airtel.com
http://www.aktel.com/
http://www.citycell.com/
http://www.teletalk.com.bd/
http://www.banglalinkgsm.com/

মেডিকেল কলেজ

http://www.bsmmu.org/
http://www.sikderhospital.com/
http://www.pharmadu.net/<ব্র> ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

Killer Blogspot SEO Tips For bloggers

We already had enough conversation about BlogSpot or WordPress and for one reason why I don’t like BlogSpot much is because limitation of optimizing it for search engine. There are many BlogSpot SEO guide that you will find on Internet and many of them is related to template editing and all, but in WordPress, plugins make it easier to optimize your blog.
BlogSpot 520x359 9 Killer Blogspot SEO Tips For bloggers
Anyhow, I’m not here to disappoint my BlogSpot friends, instead I will be sharing some cool BlogSpot SEO tips which will help you to get better ranking. Blog-Spot being a free Blogging platform, it’s always a prefer platform to start Blogging and learn the basics. If you have not created a Blog, here is a quick guide on How to create a Free blog on BlogSpot.
Google Blogger is free and easy to use web publishing tool . Many bloggers initially uses Blogger and then Migrate to WordPress complaining about lack of official templates ,post SEO friendliness , plugins etc . We have already discussed this on our previous post With little effort we can make Blogger posts really SEO friendly and an effective free medium for online business . So here I have collected some search engine optimization (SEO) tips for blogspot blogs arranged on no order .

BlogSpot SEO : Useful Tips and Tricks

When we talk about SEO, very first thing which you need to keep in mind is: We can control on site and off site SEO. On Page SEO is covered by you which includes article quality, how well it’s optimized for Keyword and meta value for that article. No need, to feel furious or lost with above SEO terminology, as below mentioned guide will help you to learn every basic and make your Blogger blog more search engine friendly.
Format Blogger post URL link
Permalink plays a great role in search engine ranking of your post. There are few rules which everyone should follow for Blogspot permalinks:
  • Keep the number of characters in post title to 50
  • Remove Stop words from permalink (Ex: A, an, the)
While writing a blog post, you have an option to edit the permalink. Simply use it to edit your permalink and remove the stop words. A good idea is to just use Keywords in your permalink. (Don’t make it look spammy). While writing blog post, you get option in your right panel to keep it automatic permalink or manual permalink. Simply select manual permalink and edit it according to your wish. Check this screenshot for example:
Custom BlogSpot Permalink 9 Killer Blogspot SEO Tips For bloggers

Harsh has already covered this feature in detail, and you can read it over here: How to use custom permalink for BlogSpot blogs.

Maintain the keyword density
Keyword density is a important aspect for better ranking. Too less will lead to less ranking and stuffing your Keyword will lead to over optimization. I usually maintain a ratio of 2%/post. Though, you can pick keyword density for your Blog post SEO, account to one which works for you. Publish articles in relevance to post title and include necessary keywords in the post . Never stuff keywords to manipulate search engines . But after finish you can analyze the whole post to find out suitable locations where the keywords can be safely inserted without distracting readers .
Read: What is optimum Keyword density for Better ranking
Blogspot proper labels and related posts
Label adds to the keyword density of the post . Labels should be widened rather than putting them into single narrow category .I will explain this point by an example . Consider a situation when you are posting about Google chrome and putting them into label Windows software’s or browser . Here you will miss keywords like Chrome browser ,Google chrome etc. which would otherwise add to the keyword density of the whole post . Labels also affects related posts widgets in Blogger.And if there are so many posts tagged with similar labels ,it would affect the arrangement of articles in related posts .
Format Blogger post title
When we talk about BlogSpot SEO, post title plays a major role. Blogger post title are usually followed by home page title . Have a look at the image shown below .
blogger post title 9 Killer Blogspot SEO Tips For bloggers Here the post title should be “city of (long-distance ) Love! ” . But title is included with home page title ” Still in Berlin ” ,and this would harm the SEO friendliness of the article title . Here is how to fix this . Go to Blogger edit HTML > find out code section
title><data:blog.pagetitle/></title>
and replace it with
<b:if cond= 'data:blog.pageType == &quot;index&quot;'>
<title><data:blog.title/></title>
<b:else/>
<title><data:blog.pageName/></title>
</b:if>
Now the individual pages will have post title itself .
Format Blogspot images for SEO
We have already shared a detailed article on Image optimization for SEO and basis of optimization your image on BlogSpot is by adding alt tag and title tags in every image. In WordPress this could be easily achieved by using plugins but in BlogSpot this needs be done manually . You should insert them manually after uploading each image . Here is a guide for Image optimization for SEO.
Provide meta tags
Meta tags are generate HTML tags used by search engines to identify the title , description and other details of a URL . They don’t have much influence on search as they were before , but would make a slight impact on targeted keywords .
Read: BlogSpot SEO advanced search preference 
Provide good title ,description and footer text
Title ,footer and description plays an important role on search engine optimization of every blog . If you are targeting some keywords make sure that you included those keywords in the above mentioned locations .
Nofollow external links
Nofollow is an HTML attribute specified on hyperlinks to block search engine advantage of external links in a website . In Blogger you can select HTML section of the post window and add rel=”nofollow” attribute just after URL to prevent search engines from crawling a particular link . Also read : How to add nofollow link attribute to any link.
Format comment section
Comment section should be no-followed and moderated to avoid spam comments . Try to include the post keywords when you are replaying to reader comments . This would also add up to the total keyword density of the post . Since Google have integrated Google plus comment form with BlogSpot, I highly recommend you to enable it. This will ensure that you get higher social media interaction and share for your post.
Read: How to enable Google plus commenting on BlogSpot blog
Blogspot is Google’s baby blogging platform and if you do it right probably you will be doing great in terms of traffic. Always get your basic right.
If you like this article, don’t forget to tweet and stumble. Further you might like to read Following articles for Blogspot blogs:
I hope this guide will give you much better idea about BlogSpot SEO, though my suggestion would be when you think you are ready with Blogging and had enough experience on BlogSpot, move to WordPress. Here is a wonderful guide for WordPress, which will help you to get started.
Editor’s Note : This is a guest post from Smartin Jose. If you like the post, you can follow him on Twitter @SmartinJose
ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

সেরা ব্যাটারি লাইফের ১০ ল্যাপটপ

ল্যাপটপে নির্বিঘ্নে কাজ করতে কে না চায়? তবে অনেক ক্ষেত্রেই এর সাথে অতিরিক্ত ওজনের একটি চার্জার বহন করাটা একটা ঝামেলার ব্যাপার। আবার ল্যাপটপের চার্জও গড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টার বেশি নয়। ফলে যাদের অধিক সময় ধরে ল্যাপটপে কাজ করতে হয় তাদের জন্যে এটা একটা বড় সমস্যা। তাহলে সেক্ষেত্রে সমাধান কি? সমাধান হল এমন একটি ল্যাপটপ ব্যবহার করা যার রয়েছে অধিক ব্যাটারি লাইফ। এখানে তেমনই ১০ টি ল্যাপটপ নিয়ে আলোচনা করব যাদের ব্যাটারি লাইফ অন্যান্য ল্যাপটপের তুলনায় তুলনামূলক বেশি।
Melting-down-marketing-lies-Heres-how-long-your-new-laptop-battery-will-really-last.jpg
এই ১০ টি ল্যাপটপের প্রত্যেকটিকেই ব্যাটারি টেস্টে মনিটরের ৪০ শতাংশ উজ্জ্বলতায় ওয়াইফাই সংযুক্ত অবস্থায় রেখে পরীক্ষা করা হয়েছে। এদের কয়েকটি বিল্ট ইন ব্যাটারিতেই ভাল কাজ করে। আবার কয়েকটি আলাদা কেনা ব্যাটারিতে ভাল কাজ করে।

১. লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্স-২৩০

একদম অস্বাভাবিক না হলেও লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্স-২৩০ ল্যাপটপটি বেশ ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ দেয়। ৬ সেলের পূর্ণ চার্জ করা ১২ ইঞ্চির এই ল্যাপটপটি ৬ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। যদি ৯ সেলের ব্যাটারি (আলাদা কিনতে হবে) ব্যবহার করেন তবে ১২ ঘণ্টার কিছু বেশি সময় ব্যাকআপ পাবেন। তবে যদি আপনি এর ৬ সেলের ব্যাটারির সাথে একটি শীট ব্যাটারি ব্যবহার করেন তবে তা একত্রে ১৫ ঘণ্টা ২৯ মিনিট ব্যাকআপ দিবে। অন্যদিকে ৯ সেলের ব্যাটারির সাথে একটি শীট ব্যাটারির ব্যবহার আপনাকে দিবে ২০ ঘণ্টা ৪৬ মিনিটের ব্যাকআপ!
1Lenovo-ThinkPad-X230.jpg

২. লেনোভো থিঙ্কপ্যাড টি-৪৩০

ব্যাটারি লাইফের ক্ষেত্রে লেনোভো থিঙ্কপ্যাড টি-৪৩০ ল্যাপটপটি আপনাকে কখনই হতাশ করবে না। কারণ এতে বিল্ট ইন অবস্থায় রয়েছে একটি ৯ সেলের শক্তিশালী ব্যাটারি। যা আপনাকে দিবে ১৩ ঘণ্টা ২৫ মিনিটের ব্যাটারি ব্যাকআপ।
2Lenovo-ThinkPad-T430.jpg

৩. লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্সওয়ান কার্বন

লেনোভো থিঙ্কপ্যাড এক্সওয়ান কার্বন হচ্ছে এই সিরিজের সবচাইতে পাতলা ল্যাপটপ। এটি ব্যাটারি ব্যাকআপ দিবে ৭ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট।
3Lenovo-ThinkPad-Carbon-X1.jpg

৪. ডেল ল্যাটিচিউড ই-৬৪৩০

উচ্চ কার্যক্ষমতার ল্যাপটপগুলোর মধ্যে ডেল ল্যাটিচিউড ই-৬৪৩০ আরেকটি জনপ্রিয় ল্যাপটপ। এটির ডিজাইন যেমন দৃষ্টিনন্দন তেমনি পারফর্মেন্সও দারুণ। অত্যাধুনিক কিবোর্ড, শক্তিশালী কার্যক্ষমতার পাশাপাশি এতে রয়েছে দীর্ঘ সময় ব্যাটারি ব্যাকআপের নিশ্চয়তা। ৯ সেলের একটি ব্যাটারিতে (বিল্টইন নয়) পরীক্ষা করার পর এটি ১০ ঘণ্টা ৩৭ মিনিটের ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হয়।
4Dell-Latitude-E6430.jpg

৫. সনি ভায়ো এসই

সনি ভায়ো সিরিজের ল্যাপটপগুলোতে সব সময়য়ই ডিজাইনের ওপর বেশ গুরুত্ব দেয়া হয়। সনি ভায়ো এসই ল্যাপটপটিতেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। ১৫ ইঞ্চি স্ক্রিনের নজরকাঁড়া ডিজাইনের পাশাপাশি এতে রয়েছে সহজে বহনযোগ্যতা। কেননা এটি ওজনে অত্যন্ত হালকা। আলাদা ব্যাটারি শিটের সাথে এটি ৪ ঘণ্টা ১৮ মিনিটের ব্যাকআপ দেয়। তবে সনির নিজস্ব শিট ব্যাটারির ব্যবহারে এটি প্রায় ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের মত ব্যাকআপ দিতে পারে। আর সনির নিজস্ব এই শিট ব্যাটারির দাম পড়বে প্রায় ১৫০ মার্কিন ডলার।
5Sony-VAIO-SE.jpg

৬. ডেল এক্সপিএস ১৪

ওজনে খুব একটা হালকা না হলেও কার্যক্ষমতার বিচারে ডেল এক্সপিএস ১৪ আপনাকে হয়ত হতাশ করবে না। ১৪ ইঞ্চির এই ল্যাপটপটিতে রয়েছে একটি শক্তিশালী ব্যাটারি যার কারণেই এর ওজন কিছুটা বেশি। ডেল এক্সপিএস ১৪ আপনাকে প্রায় ৮ ঘণ্টা ১৪ মিনিট নিশ্চিন্তে কাজ করার নিশ্চয়তা দেবে।
6Dell-XPS-14.jpg

৭. অ্যাপল ম্যাকবুক এয়ার

নিঃসন্দেহে অ্যাপল ম্যাকবুক এয়ারের মত একটি ল্যাপটপের মালিক হতে চাইবেন যে কেউই। এর অসাধারণ পাতলা ডিজাইন এবং অবিশ্বাস্য হালকা ওজন একে করেছে অন্য যেকোনো ল্যাপটপের তুলনায় স্বতন্ত্র। অনেক প্রতিষ্ঠানই এর ডিজাইন অনুকরণ করতে চেষ্টা করেছে। তবে খুব একটা সফল হতে পারেনি। এর অন্যান্য ঈর্ষনীয় সুবিধার পাশাপাশি এতে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ব্যাকআপের সুবিধা। এটি ৮ ঘণ্টা ১০ মিনিটের মত ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম।
7Apple-MacBook-Air.jpg

৮. অ্যাপল ম্যাকবুক প্রো (রেটিনা ডিসপ্লে সম্বলিত)

রেটিনা ডিসপ্লে সম্বলিত অ্যাপলের ম্যাকবুক প্রো ল্যাপটপটির বিশেষত্বই হচ্ছে এর অসাধারণ উন্নত ডিসপ্লে। আর অনেকেই ভাবতে পারেন যেহেতু এত উন্নত ডিসপ্লে তাহলে সেটা নিশ্চয়ই খুব বেশিক্ষণ ব্যাটারিতে চলবে না। কিন্তু আপনার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত করে এটি ৮ ঘণ্টার মত ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে।
8Apple-MacBook-Pro-with-Retina-Display.jpg

৯. তোশিবা পোর্টেজ আর-৮৩৫

তোশিবা পোর্টেজ আর-৮৩৫ কে বলা যায় একটি বিজনেস ল্যাপটপ। খুব একটা হালকা না হলেও এর শক্তিশালী বিল্টইন ব্যাটারিতে একবার পূর্ণ চার্জে এটি ৭ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের ব্যাকআপ দিতে পারবে।
9Toshiba-Portege-R835.jpg

১০. এসার এস্পায়ার টাইমলাইনইউ এম৫-৫৮১ টিজি-৬৬৬৬

এসার এস্পায়ার টাইমলাইনইউ হচ্ছে আরেকটি অসাধারণ শক্তিশালী ল্যাপটপ। এর ১৫ ইঞ্চির বড় স্ক্রিন, দারুণ গ্রাফিক্স, হালকা ওজন ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি যে কাউকেই আকৃষ্ট করবে। আপনি যদি অনেক বেশি মাল্টিমিডিয়া কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে চান তবে এই ল্যাপটপটি আপনার জন্যে। কেননা এটি আপনাকে ৭ ঘণ্টা ২৯ মিনিটের মত ব্যাটারি সাপোর্ট দিবে।
10Acer-Aspire-TimelineU-M5-581TG-6666.jpgঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

উইন্ডোজের গোপন সুবিধাগুলো জেনে নিই বিস্তারিত

কম্পিউটার চালানোর সময় প্রায় সবাই মাউসের সাহায্য নেন। কিন্তু উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এমনও বেশকিছু পদ্ধতি রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে শুধু কিবোর্ড ব্যবহার করেই আপনি বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন। সে প্রতিবেদনের আলোকে উইন্ডোজের কতিপয় গোপন সুবিধাগুলো তুলে ধরা হল।

1.টাস্কবার অ্যাপ্লিকেশন সিলেক্ট এবং ফোকাস করা
টাস্কবারের অ্যাপ্লিকেশন সিলেক্ট এবং ফোকাস করতে আপনার কিবোর্ডের উইন্ডোজ কি চেপে T চাপুন এবং অ্যারো কি অথবা বারবার T চাপুন। এ কাজটির করার ফলে মাউসের সাহায্য ছাড়াই আপনি পিন অ্যাপ্লিকেশনগুলো স্ক্রল করতে পারবেন।
2.কপি, পেস্ট এবং এবং ফাইল মুভ আনডু করা
আমরা অনেকেই জানি Ctrl+C, Ctrl+V  এবং Ctrl+X  ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসরে সহজেই কপি, পেস্ট ও কাট করা যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না, এ কমান্ডগুলো ফাইলের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়। ফাইল কাট, কপি বা পেস্ট করতেও আপনি এ কমান্ডগুলোর ব্যবহার করতে পারবেন।
3.অ্যাপ্লিকেশন চালু করা
টাস্কবারে পিনড অবস্থায় রয়েছে এমন অ্যাপ্লিকেশন চালু করতে চাইলে উইন্ডোজ কি চাপুন এবং অ্যাপ্লিকেশনটির নম্বরভিত্তিক অবস্থান অনুযায়ী নিউমেরিক কি (১…৯) চাপুন। এ পদ্ধতিতে সহজেই আপনি কাক্সিক্ষত অ্যাপ্লিকেশনটি মাউস ছাড়া চালু করতে পারবেন।
4.অ্যাপ্লিকেশন ম্যানেজ করা
একই অ্যাপ্লিকেশনের নতুন কোনো উইন্ডো বা নতুন কোনো ফোল্ডার ওপেন করতে হলে শিফট কি, উইন্ডোজ কি এবং নিউমেরিক অংশের ১ থেকে ৯ এর ভেতরের যে কোনো একটি নম্বর চাপুন। এতে আপনি কাক্সিক্ষত উইন্ডো বা ফোল্ডার ওপেন করতে পারবেন।
5.টাস্কবারে পিন করুন যে কোনো আইটেম
উইন্ডোজ ৭-এর টাস্কবারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যাপ্লিকেশন পিন করা থাকে। কিন্তু আপনি যদি টাস্কবারে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার পিন করতে চান, তাহলে নিচের কমান্ডগুলোর সাহায্যে তা খুব সহজেই করতে পারবেন।
#আপনার পছন্দের ফাইল বা ফোল্ডারটি ড্র্যাগ করে ডেস্কটপে নিয়ে আসুন।
#এরপর রাইট কিক্ল থেকে নিউ এবং নিউ থেকে শর্টকাট সিলেক্ট করুন।
# এক্সপ্লোরারে <C:shortcutsFavorites – ShortcutName.lnk>  টাইপ করুন।
# পছন্দ অনুযায়ী শর্টকাটের একটি নাম দিন।
# এখন দেখবেন যে আপনার শর্টকাটটি ফোল্ডারে পরিণত হয়েছে, যেটা আপনি চাইলেই রাইট ক্লিকের মাধ্যমে টাস্কবারে পিন করতে পারবেন।
6.কমান্ড অপশন চালু করা
কমান্ড অপশন চালু করার এ প্রক্রিয়াটি শুধু উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ ৭ এর জন্য প্রযোজ্য। কমান্ড অপশন চালু করতে শিফট-কি চেপে ফোল্ডারে রাইট ক্লিক করুন। এভাবে আপনি সহজেই কমান্ড অপশনটি চালু করতে পারবেন।
7.সিক্রেট “সেন্ড টু” মেনু
আপনি জানেন কি আপনার উইন্ডোজে গোপন একটি সেন্ড টু মেনু আছে? এ মেনুটি ব্যবহার করতে হলে আপনাকে শিফট কি চেপে ধরে যে ফোল্ডারটি সেন্ড করতে চাচ্ছেন তাতে রাইট ক্লিক করে সেন্ড টু মেনুটি সিলেক্ট করতে হবে। এ অপশনটির মাধ্যমে আপনি খুব অল্প সময়ে অনেক ফাইল স্থানান্তর করতে পারবেন।
8.পরিবর্তন করুন ডিফল্ট “সেন্ড টু” মেনু
আপনার ডিফল্ট সেটিংসে যেসব অপশন প্রদর্শিত হয়, তা যদি আপনি পরিবর্তন করতে চান তাহলে যে কোনো ফোল্ডারের বার লোকেশনে আপনাকে <shell:sendto>  টাইপ করতে হবে। এরপর আপনি নতুন ফোল্ডারের লোকেশনটি ড্র্যাগ এবং ড্রপ করতে পারবেন সহজেই।
9.সহজেই ওপেন করুন ফাইল অথবা ওয়েবপেইজ
রান কমান্ড ব্যবহার করে খুব সহজেই ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট ওপেন করা যায়। রান ডায়ালগ বক্সটি কি-বোর্ডে শর্টকাটে ওপেন করতে উইন্ডোজ কি + R  চাপুন। এরপর ডায়ালগ বক্সটি এলে আপনি যা চালু করতে চাচ্ছেন, তার নাম লিখে এন্টার চাপুন।
10.তৈরি করুন জিপ ফোল্ডার
বড় আকারের ফাইল স্থানান্তরের জন্য জিপ ফোল্ডার খুবই প্রয়োজনীয়। এটি ফাইলের আয়তন কমিয়ে দেয়। ফলে সহজেই ফাইলটি স্থানান্তর করা যায়। জিপ ফোল্ডার তৈরি করার জন্য সাধারণ ফাইলটিতে রাইট ক্লিক করুন এবং সেখান থেকে সেন্ড টু অপশন সিলেক্ট করুন। এরপর কমপ্রেসড ফোল্ডারের মাধ্যমে আপনার ফাইলটির আকৃতি কমিয়ে আনুন। ফাইল জিপ করার ফলে সহজেই তা আপলোড করা যাবে।ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

থ্রিজির সাতকাহন

বাংলাদেশে এখন সব জায়গায় আলোচনার একটি সাধারণ বিষয়ের নাম থ্রিজি। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশে বহুল আরাধ্য থ্রিজির নিলাম অনুষ্ঠিত হলো যেখানে সিটিসেল বাদে বাকি সকল অপারেটর থ্রিজির তরঙ্গ বরাদ্দ পেয়েছে। এরপর বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়া,ফেসবুকে থ্রিজি নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। মানুষ আশা করছে ইন্টারনেট নিয়ে দীর্ঘদিনের হা হুতাশের হয়ত এখন একটা সমাধান হবে। তরঙ্গ বরাদ্দ পাবার পর প্রতিটি কোম্পানিই সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে থ্রিজি সেবা শুরু করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অক্টোবরের মধ্যে দেশের দুই বৃহত্তম টেলিকম সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান রবি ও গ্রামীণফোন সীমিত পরিসরে থ্রিজি চালুর ঘোষণা এরই মধ্যে দিয়ে দিয়েছে। থ্রিজি নিয়ে বহু মানুষের মধ্যে এখনো বিভ্রান্তি রয়ে গেছে। তাদের সকল বিভ্রান্তি দূর করতে আমরা আজকে দেখব থ্রিজি আসলে কি, এই সেবা চালু হলে আমাদের কি কি সুবিধা হবে এবং আসলেই আমরা সেসকল সুবিধা পাব কিনা।
থ্রিজি কি?
এরই মধ্যে হয়ত অনেকে গুগলে ঘাটাঘাটি করে থ্রিজি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে গেছেন। থ্রিজি শব্দটি মূলত থার্ড জেনারেশনের সংক্ষিপ্ত রুপ। থ্রিজি টেলিকম সার্ভিস বলতে তৃতীয় প্রজন্মের তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বোঝায়। এতদিন এদেশে টুজি বা সেকেন্ড জেনারেশনের টেলিকম সার্ভিস চালু ছিল। টুজির একটা বড় সমস্যা হলো এর ধীরগতির ডাটা ট্রান্সফার। ফলে টুজি শুধুমাত্র অডিও ভয়েস কল সাপোর্ট করে। টুজির এই সীমাবদ্ধতাকে দূর করতেই নিয়ে আসা হয় থ্রিজি প্রযুক্তি। থ্রিজির গতি টুজির চেয়ে দশ থেকে বিশগুণ বেশি হবার কারণে থ্রিজি অডিও কলের পাশাপাশি ভিডিও কল,ভিডিও চ্যাট,ইন্টারনেট টিভি এবং হাই স্পিড ডাটা সার্ভিস প্রোভাইড করতে পারে। থ্রিজি কিন্তু নতুন কোন প্রযুক্তি নয়। ১৩ বছর আগে জাপানে সর্বপ্রথম থ্রিজি সার্ভিস চালু হয়। হ্যাঁ,ঠিক শুনেছেন-১৩ বছর আগে! কিন্তু বাংলাদেশে ২০০৮ সালের আগস্টে ‘আলোকিত বাংলাদেশ’ নামক এক প্রজেক্টের আওতায় এরিকশন থ্রিজির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিকভাবে থ্রিজি চালু করে। এরপর দীর্ঘ তিনবছর বিটিআরসি থ্রিজির জন্য নীতিমালা,লাইসেন্সের দরদাম আর থ্রিজি চালু করতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে ব্যয় করে। এদেশে বাণিজ্যিকভাবে ২০১২ সালে অক্টোবরে রাষ্ট্রীয় টেলিকম সেবাদাতা টেলিটক থ্রিজির যাত্রা শুরু হয়। আর এই কিছুদিন আগে সকল অপারেটর থ্রিজি সেবার চালুর জন্য লাইসেন্স পেল।
aএদেশে টুজি সার্ভিসের সাধারণ রূপ হলো জিএসএম এবং সিডিএমএ। কিন্তু থ্রিজি সার্ভিস চালু হলে তা হবে UMTS, W-CDMA, EV-DO। তবে অধিকাংশ টেলিকম কোম্পানি থ্রিজি চালুর বদলে ৩.৫জি চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তখন কিন্তু HSDPA, HSPA+, Dual carrier HSDPA এগুলো থ্রিজি সার্ভিস দেয়ার জন্য ব্যবহার করা হবে। টেলিটক এরই মধ্যে ৩.৫জি সার্ভিস গ্রাহকদের দিচ্ছে। তারা এখন ৩.৭৫জি সার্ভিসে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই আপগ্রেড করে গ্রাহকদের কি লাভ হবে? গ্রাহকরা সাধারণ থ্রিজির তুলনায় আরো দ্রুতগতির ইন্টারনেট ডাটা সুবিধা পাবেন। ফলে এতদিনের বিভিন্ন আক্ষেপের অবসান হবে।
a
থ্রিজির কাছে আমরা কি আশা করতে পারি?
থ্রিজি সার্ভিস চালু হলে আমরা কি কি সুবিধা পাব তা নিয়ে মানুষের কিছু ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জায়গায় থ্রিজি সার্ভিস নিয়ে যে গুজব চলছে তার বেশিরভাগই সত্যি। থ্রিজি চালু হলে যে আমরা দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা এবং ভিডিও কলিং সুবিধা পাব এই ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। থ্রিজির চালুর মাধ্যমে দেশে সত্যিকারের মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা চালু হবে। এছাড়া বিভিন্ন ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস প্রদানের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা হবে। বিশেষ করে ইন্টারনেট রেডিও/টেলিভিশনের চল ব্যাপক বাড়বে বলে সবাই ধারণা করছে। তবে ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসগুলো মূলত অপারেটরদের নিজস্ব উদ্ভাবনী চিন্তার উপর নির্ভর করছে। এমন অনেক ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস চালু করা সম্ভব যা ব্যবহার করে এদেশে মানুষ সত্যিকার অর্থেই উপকৃত হতে পারে। তবে থ্রিজি নিয়ে আমাদের সবচেয়ে আশার জায়গাটির নাম ইন্টারনেট। থ্রিজিতে ইন্টারনেটের গতি কেমন হবে সেটাও মূলত অপারেটরদের পলিসির উপর নির্ভর করছে। যেমন-টেলিটক থ্রিজি স্পিড ও ডাটার উপর নির্ভর করে বিভিন্ন প্যাকেজ বের করেছে-২৫৬কেবিপিএস থেকে শুরু করে ৪ এমবিপিএস পর্যন্ত নানা প্যাকেজ আছে টেলিটকের। কিন্তু পৃথিবীর অধিকাংশ মোবাইল অপারেটর এমন স্পিড নির্ভর প্যাকেজ বের করে না। গ্রাহক কতটুকু স্পিড পেতে পারেন তার কোন সীমা বেঁধে দেয়া থাকে না। ফলে গ্রাহক অপারেটরের নেটওয়ার্কের অবস্থা,নিজস্ব ডিভাইসের সামর্থ্যের উপর নির্ভর করে সর্বোচ্চ গতিও পেতে পারেন।
aগ্রামীণফোন আন্তর্জাতিক এই রীতি মেনে থ্রিজি সেবা চালু করবে বলে আভাস পাওয়া গেছে। অন্যদিকে রবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানান তাদের থ্রিজি+ সার্ভিসে একজন সাধারণ গ্রাহক ৭.২ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট সেবা উপভোগ করতে পারবেন। যেহেতু সকল অপারেটরই থ্রিজি+ সেবা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে সেহেতু আমরা ধারণা করতে পারি যে নূন্যতম গতি .২ এমবিপিএস থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ গতি প্রায় ১৪.৪ এমবিপিএস পর্যন্ত হতে পারে।
থ্রিজি সার্ভিসের আরেকটা আকর্ষণীয় সুবিধা হলো ভিডিও কলিং। এই সুবিধা ব্যবহার করে আপনি সহজেই ভিডিও কলিং সাপোর্টেড স্মার্টফোন থেকে ভিডিও কল করতে পারবেন। ভিডিও কলিং এর মান কেমন হবে তা অপারেটরের নেটওয়ার্ক এবং আপনার ডিভাইসের মানের উপর নির্ভর করবে। ভিডিও কলিং এর সুবিধা হলো এতে আপনার ইন্টারনেট ডাটা কখনো ব্যবহৃত হবে না ফলে ইন্টারনেট ডাটা খরচ হবার ভয় থেকে আপনি রক্ষা পেয়ে যাবেন। তবে ভিডিও কলিং করতে বেশ ভাল মানের নেটওয়ার্ক লাগবে বলে এর সার্ভিস কতটা ভাল হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। আর হ্যাঁ ভিডিও কলিংয়ের সময়ে আপনার মানিব্যাগের ব্যালেন্সটার কথাও কিন্তু মাথায় রাখবেন!
এখন আসি সমস্যায়ঃ
থ্রিজি সার্ভিস নিয়ে নিশ্চয়ই আপনি আশাবাদী হতে শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু আপনার আশাতে জল ঢালতে থ্রিজির বিভিন্ন সার্ভিসের দামই যথেষ্ট হবে। আপনার দেখেছি যে থ্রিজি ভয়েস কলিং সাধারণ কলের চেয়ে অন্তত চার থেকে পাঁচগুণ বেশি হবে। অন্যদিকে ডাটা সার্ভিস বা ইন্টারনেটের দাম কিন্তু সেই তুলনায় ততবেশি হবার কথা না। বিভিন্ন এশীয় দেশ ও এদেশের টেলিটকের ডাটা প্ল্যান দেখে আমরা আন্দাজ করছি থ্রিজি সার্ভিসে ১ জিবি ডাটার মূল্য ২৫০-৩৫০ টাকার মধ্যে হবে। থ্রিজির আগমন উপলক্ষ্যে ২জি ডাটা সার্ভিসের মূল্য অপারেটররা এরই মধ্যে কমিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আসলেই দাম কেমন হবে তা সম্পর্কে এখনই বেশি কিছু বলা যাচ্ছে না।
aএদেশে থ্রিজি চালুর আরেকটা সমস্যা হলো ডিভাইস। দেখা গেছে এদেশের মাত্র ১০ শতাংশ ডিভাইস থ্রিজি নেটওয়ার্কের উপযুক্ত। এসব পুরোনো ডিভাইসের মালিক যারা তারা থ্রিজি সেবা উপভোগ করতে পারবেন না। অন্যদিকে নেটওয়ার্ক জ্যাম মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। ঈদের সময় আমরা আমাদের ২জি নেটওয়ার্ক থেকে যে সার্ভিস পাই সেরকম সার্ভিস যদি থ্রিজির ক্ষেত্রেও হয় তাহলে চিন্তার কারণ আছে বইকি। থ্রিজিতে যেহেতু অনেক গ্রাহক ডাটা ট্রান্সফার ও ভিডিও কলিংয়ের কাজ করবেন সেক্ষেত্রে নেটওয়ার্কের সক্ষমতা নিয়ে এখনই অপারেটরগুলোর চিন্তাভাবনা শুরু করা উচিত। কারণ কোন অপারেটরই ১৫ মেগাহার্জের তরঙ্গ বরাদ্দ নেয়নি এবং বিটিআরসিও এই সমস্যা নিয়ে চিন্তিত।
যারা ঢাকা বা এর আশেপাশে আছেন তারা আগামী মাস থেকেই থ্রিজি সেবা উপভোগ করতে পারলেও সারা দেশে থ্রিজি ছড়িয়ে দিতে বেশ সময় লাগবে। তবে বিটিআরসিকে ধন্যবাদ যে তারা একটা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। আগামী নয়মাসের মধ্যেই বিভাগীয় শহরগুলো থ্রিজির আওতায় নিয়ে আসার জন্য বিটিআরসি বাধ্যবাধকতা দিয়ে দিয়েছেন।
থ্রিজির মাধ্যেমে বাংলাদেশ এক নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে। এই সার্ভিস চালু হলে আমাদের দীর্ঘদিনের অনেক সমস্যার সমাধান হবে – এই আশা আমরা করতেই পারি। হাই স্পিড ইন্টারনেট ও ভিডিও কলিংয়ের মতো সুবিধা নিয়ে আসার কারণে থ্রিজি আমাদের প্রত্যাশা প্রতিদিন বাড়িয়ে দিচ্ছে। কি হবে তা জানার জন্য আর কয়েকটি মাস একটু অপেক্ষা করুন। আশা করি আমরা খারাপ সার্ভিস পাব না।ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

উইন্ডোর কিছু প্রয়োজনীয় শর্টকাট

একটি উইন্ডো ডেক্সটপে Maximize,Minimize ও Restore এই তিনটি অবস্থায় থাকতে পারে ।
*Maximize অবস্থা হলো উইন্ডোটি কম্পিউটারের সমস্ত স্ক্রীন জুড়ে থাকবে।
*Restore অবস্থা হলো উইন্ডোটি ডেক্সটপের কিছু অংশ জুড়ে থাকবে।
*Minimize অবস্থা হলো উইন্ডোটি কেবল ডেক্সটপ এর নিচের অংশ অর্থাৎ Taskbar এ থাকবে ।
আজকে আমরা দেখব কিভাবে কীবোর্ড এর মাধ্যমে আমরা কোন উইন্ডোকে Maximize,Restore,Minimize অবস্থায় আনা যায় ।
# প্রথমে যে কোন সফটওয়্যারের বা My Computer অর্থাৎ যে কোন একটি উইন্ডো ওপেন করি ।

# Maximize

উইন্ডোটি যদি Restore অবস্থায় থাকে তাহলে একবার Alt কী প্রেস করুন (বাটন টি ধরে থাকবেননা ),এবার Space কী প্রেস করুন (বাটন টি ধরে থাকবেননা ) । এবার
X কী টি প্রেস করুন অথবা Alt কী ও Space কী একসাথে প্রেস করে X কী টি প্রেস করুন। উইন্ডোজ ৭ এর বেলায় অবশ্যই Alt কী ও Space কী একসাথে প্রেস করতে হবে ।

# Restore

এখন উইন্ডোটি যদি Maximize অবস্থায় থাকে তাহলে একবার Alt কী প্রেস করুন (বাটন টি ধরে থাকবেননা ),এবার Space কী প্রেস করুন (বাটন টি ধরে থাকবেননা ) । এবার
R কী টি প্রেস করুন অথবা Alt কী ও Space কী একসাথে প্রেস করে R কী টি প্রেস করুন। উইন্ডোজ ৭ এর বেলায় Alt কী ও Space কী একসাথে প্রেস করতে হবে ।

# Minimize

আপনার উইন্ডোটি যদি Maximize ও Restore অবস্থায় থাকে তাহলে একবার Alt কী প্রেস করুন (বাটন টি ধরে থাকবেননা ),এবার Space কী প্রেস করুন (বাটন টি ধরে থাকবেননা ) । এবার N কী টি প্রেস করুন অথবা Alt কী ও Space কী একসাথে প্রেস করে X কী টি প্রেস করুন। উইন্ডোজ ৭ এর বেলায় Alt কী ও Space কী একসাথে প্রেস করতে হবে ।

# Minimize থাকা উইন্ডোকে ওপেন করা

এবার কোন উইন্ডো যদি Minimize অবস্থায় থাকে আর আপনি উইন্ডোটি ওপেন করতে চান তাহলে Alt কী ধরে থেকে Tab কী একবার প্রেস করুন । এখন দেখবেন নিচের চিত্রের মতন একটি উইন্ডো আসবে (Alt কী ছাড়বেননা)।
t11 কিছু Tricks যা আপনার কম্পিউটার ব্যাবহারের দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন | Techtunes
এবার একবার Tab কী প্রেস করুন তাহলে দেখবেন উইন্ডোর ভিতরে selector টা বাম দিক থেকে ডান দিকে সরে যাবে । এখন আপনার প্রয়োজনীয় উইন্ডোটি সিলেক্ট থাকা অবস্থায় Alt ও Tab কী ছেরে দিন তাহলে দেখবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত উইন্ডোটি ওপেন হয়ে যাবে ।

# একাধিক উইন্ডো একসাথে Minimize করা

আপনি যদি একাধিক উইন্ডো একসাথে Minimize করতে চান তাহলে windows key + D অথবা windows key + M প্রেস করুন ।
আগের অবস্থায় আনতে চাইলে windows key+Shift + M প্রেস করুন ।
Funny ট্রিক্স
অনেক তো কথা বললাম , এখন চলুন একটু মজা করি ।
Ctrl+Alt+Down Arrow
Ctrl+Alt+Right Arrow
Ctrl+Alt+Left Arrow
Ctrl+Alt+Up Arrow ।
ক্রমানুসারে try করে দেখুন । বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করলামনা , বিস্তারিত বললে মজাটা নষ্ট হয়ে যাবে ।ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

নোটপ্যাডকে ডিজিটাল ডায়েরি হিসাবে ব্যাবহার করুন

নোটপ্যাড এর মূল উদেশ্য হলো html এর ডিজাইন ফাইল তৈরি করা ।আমরা সাধারণত নোটপ্যাড কে বিভিন্ন উদেশ্যে ব্যাবহার করে থাকি । কিন্তু আমরা মনে হয় অনেকে জানিনা যে
নোটপ্যাড কে ডায়েরি হিসেবেও ব্যাবহার করা যায় । আমরা আমাদের দিনের প্রত্যেকটি কাজ বা ঘটনা সময় ও তারিখ দিয়ে খুব সহজেই নোটপ্যাড এ ডায়েরির মতন করে লিখতে পারি ।
চলুন দেখি আসি কিভাবে তা সম্ভব ……………………
# প্রথমে একটি নোটপ্যাড ওপেন করে লেখুন .LOG (বড় অক্ষরে) এবং enter প্রেস করুন ।
# এবার নোটপ্যাডটি যে কোন নামে সেভ করুন এবং close করুন । এক্ষেত্রে অভ্র ব্যাবহারকারীরা যারা ডায়েরিতে অর্থাৎ নোটপ্যাডে বাংলা লেখতে
চায় তারা নোটপ্যাডটি অর্থাৎ ফাইলটি সেভ করার সময় Encoding এ ইউনিকোড (unicode) সিলেক্ট করে দিতে হবে। বিজয়তে সরাসরি অর্থাৎ Encoding এ ANSI হিসেবে সেভ করা যায় ।
t2 কিছু Tricks যা আপনার কম্পিউটার ব্যাবহারের দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন | Techtunes
# এবার ফাইলটি ওপেন করুন এবং দেখুন মজা । .LOG লেখার পরের লাইনে স্বয়ংক্রিয় ভাবে বর্তমান সময় এবং তারিখ ইন্সার্ট হয়ে গেছে । এখন আমরা এখানে আমাদের দৈনিক কাজ বা ঘটনা লিখে রাখতে পারি ।
t1 কিছু Tricks যা আপনার কম্পিউটার ব্যাবহারের দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন | Techtunes
সবচেয়ে মজার বিষয় হলো প্রতেকবার আমরা যখন এই নোটপ্যাডটি অর্থাৎ ফাইলটি ওপেন করবো ঠিক ততোবারেই ডিজিটাল ডায়েরির মতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্তমান সময় ও তারিখ ইন্সার্ট হয়ে যাবে । এছাড়াও নোটপ্যাড চালু থাকা অবস্থায় আমরা F5 কী প্রেস করে সময় ও তারিখ ইন্সার্ট করতে পারি ।ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

কীবোর্ড দিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ওপেন করুন

আমরা যখন কোন সফটওয়্যার ওপেন করতে চাই তখন ডেক্সটপে রাখা সফটওয়্যারটির আইকন এর উপর মাউস দিয়ে ডাবল ক্লিক করে থাকি । কিন্তু যদি কেমন হতো যদি কীবোর্ড এর কোন বাটন এর মাধ্যমে যদি সফটওয়্যারটি ওপেন করতে পারতাম !!!!!!!!
আমার tricks টির মূল বিষয় আসা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন চলুন দেখি আসি কিভাবে তা সম্ভব …………………

# প্রথমে ডেক্সটপে রাখা কোন সফটওয়্যারের আইকন (শর্টকাট আইকন) এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করে properties এ প্রবেস করুন ।
t5 কিছু Tricks যা আপনার কম্পিউটার ব্যাবহারের দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন | Techtunes
# এবার উপর থেকে Shortcut tab এর উপর ক্লিক করুন ।
# এবার shortcut key box এর ভেতর মাউস ক্লিক এর মাধ্যমে কার্সর প্রবেস করান
t4 কিছু Tricks যা আপনার কম্পিউটার ব্যাবহারের দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন | Techtunes
# এবার Ctrl বাটন প্রেস করে ধরে রাখলে দেখা যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিত্রের মতন Alt এসে পরবে।
t6 কিছু Tricks যা আপনার কম্পিউটার ব্যাবহারের দক্ষতা বাড়িয়ে দিবে কয়েক গুন | Techtunes
# এখন Ctrl বাটন ধরে রেখে (Alt বাটন প্রেস করতে পারেন কিংবা নাও করতে পারেন)কীবোর্ডের (ESC, ENTER, TAB, SPACEBAR, PRINT SCREEN, SHIFT, BACKSPACE keys এই সকল বাটনগুলো ব্যাতিত )যে কোন বাটনে ক্লিক করুন । ধরি Z কী তে প্রেস করলাম । অতএব আমাদের কাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যারটির শর্টকাট কী ধারালো Ctrl+Alt+Z । এখন আপনি এই তিনটি কী একসাথে প্রেস করে যখন তখন সফটওয়্যারটি ওপেন করতে পারেন ।ঘুরে আসুন http://www.fajlami.com থেকে

Index Labels

 
Copyright © 2013 প্রয়োজনীয় টিপস এ্যাণ্ড ট্রিক্স
Powered byBlogger